বদলে যাচ্ছে বোরহানউদ্দিন পৌরসভা

 

 

ফয়সাল আহমেদ।।

মেয়র রফিকের ৩ বছরের অক্লান্ত চেষ্টায় অবশেষর পাল্টে যাচ্ছে সামান্য বাজেট নিয়ে কোন রকমে জোড়াতালি দিয়ে চালিয়ে আসা বোরাহানউদ্দিন পৌরসভা। প্রাথমিভাবে  এ উন্নয়ন কাজ ১ শত কেটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। গতকাল পৌরসভার দ্বিতীয় উপকূলীয় পরিবেশগত অবকাঠামো প্রকল্প(সিটিইআইপি-২) এর প্রকল্প পরিচালক(পিডি) মো. সাইফুল ইসলাম সহিদ ঐ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন প্রকল্পের যথার্থতা যাচাইয়ের জন্য ১১  সেপ্টটেম্বর শুক্রবারপরিদর্শনে আসার পর ইতিবাচক ফলাফল দেখা দিয়েছে।

বোরহানউদ্দিন বাসির ভালোবাসার মেয়র রফিকুল ইসলাম মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে অশেষ শুকরিয়া ও জননেতা তোফায়েল আহমেদ ও এমপি মুকুলের প্রতি কৃতজ্জতা জানিয়ে ভোলা নিউজকে বলেন,

দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ধরে একটি প্রজেক্টে বোরহানউদ্দিন পৌরসভাকে অর্ন্তভূক্ত করার জন্য অবিরাম চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম। এ চেষ্টার পথে আমাদের অভিভাবক সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এমপি’র সহযোগীতা অগ্রগণ্য। আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলী আজম মুকুল এর আন্তরিক প্রচেষ্টা ভুলবার নয়।

সহসাই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এর ফলে চলতি মেয়াদে আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রায় শতভাগ পূরণ করা সম্ভব হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিও ছাড়িয়ে যাবে।
সিটিইআইপি-২ প্রকল্পের আওতায় পৌর এলাকার বর্জ্য অপসারনে ও ধ্বংস করার পরিবেশসম্মত ডাম্পিং স্টেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেশ ক’টি টেকসই সাইক্লোন সেল্টার কাম একাডেমিক ভবন, সড়ক, ব্রিজ, বাজার উন্নয়ন(মাছ বাজার, কাচা বাজার), পার্ক, বস্তি উন্নয়ন(ঘনবসতিপূর্ণ নি¤œ আয়ের মানুষদের বসবাস স্থান), ড্রেন নির্মান ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ হবে। পার্ক, বিনোদন কেন্দ্র আর ওয়াকিং স্ট্রিটের যায়গা সহ অন্যান্য স্থাপনার যায়গা প্রজেক্ট টিমকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। আশা করা যায় প্রাথমিভাবে উন্নয়ন কাজ টাকার অংকে ১ শত কেটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। আমাদের পৌরসভার যে আয়তন তাতে এ প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত মানে গোটা পৌরসভাকে ভিন্নমাত্রা দেয়া সম্ভব। কোন এলাকা নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত হবার সুযোগ নেই।
এ মেয়াদে মেয়র হিসেবে আমার সময়কাল শেষের দিকে। আগামি নির্বাচনে যিনি মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হবেন তাঁর সামনে অন্তত: নাগরিক সুবিধা নিয়ে কোন চ্যালেঞ্জ থাকবেনা বলেও জানান বোরহানউদ্দিনের মানুষের আস্থার যায়গা মেয়র রফিকুল ইসলাম।

SHARE