ভোলায় যৌতুক লোভী স্বামী মামুনের নির্মমতা

অর্জুন চন্দ্র দে #
ঘটনাটি ঘটেছে গত ৯ জুন মঙ্গল বার ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের কন্দ্রকপুর গ্রামের বিশ্বাস বাড়িতে। নির্যাতিতা লিমার বক্তব্য অনুসারে তার স্বামী মামুন বিশ্বাস ২০১৪ সালে বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন অযুহাতে চাপ দিয়ে তার বাবার বাড়ি থেকে যৌতুক দ্বাবী করে এবং মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে লিমার বাবা মোঃ নাছিম পলফান এ পর্যন্ত প্রায় দুই লক্ষ টাকা দিলেও অলস ও মাদকাশক্ত মামুন সব খরচ করে অাবার লিমাকে পাঠায় বাবার কাছ থেকে টাকা অানতে।

ঘটনার দিনও টাকা এনে দিতে অস্বিকৃতি জানানোর কারনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মামুন তার স্ত্রী লিমাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে এলোপাথারী মারতে মারতে এক পর্যায়ে গলায় ওরনা পেঁচিয়ে টেনে হেঁচরে বাড়ির অদুরে থাকা খড়ের গাদার কাছে ফেলে যায়। সেখান থেকে লিমার ছোট জাঁ তাকে উঠিয়ে ঘরে নিয়ে অাসে। এ ঘটনায় অাহত লিমা শারীরিক যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে পরের দিন ১০ ই জুন বুধ বার ৭ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত বাবার বাড়ি যেতে চাইলে স্বামী মামুন তাদের দুটি সন্তানকেই রেখে দেয়। পরে লিমা একাই বাবার বাড়ি গেলে তার মা ও ভাই তাকে ভোলা সদর হামপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করায়।

এ ঘটনার জন্য নির্যাতিত লিমা বাদী হয়ে তার স্বামী মামুন বিশ্বাস এর বিরুদ্ধে ভোলা সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দ্বায়ের করে।
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে মামুন বিশ্বাসের বাবা হানিফ বিশ্বাস ও তার ছোট ছেলের বৌ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে।

অন্যদিকে মামুন বিশ্বাসকে বাড়িতে না পাওয়া গেলেও মুঠো ফোনে সে তার স্ত্রীকে নির্যাতনের কথা স্বীকার করে।

অন্যদিকে মামুন-লিমার দুটি ছেলে মেয়ের মধ্যে বড় সন্তান ৫ বছর বয়সী রিয়াদ এর বক্তব্যেও ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।

SHARE