চরফ্যাশনে রাজাকারের বাড়ি থেকে ত্রাণের চাল উদ্ধার,বিক্ষোভ

 

মনজু ইসলা/মাসুদ রানাঃ

ভোলার চরফ্যশনের নুরাবাদ ইউনিয়নের আত্নস্বীকৃত রাজাকারের বাড়ি থেকে ৭ বস্তা জেলে পুণঃবার্সনের চাল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে বিনা বিচারে ছেড়ে দিলেও অন্য জনকে ১মাসের জেল ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে সহকারী কমিশনার ভূমি চরফ্যাশন। এ ঘটনায় রাতেই নুরাবাদে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয়রা।

সরজমিন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১ মে শুক্রবার সন্ধ্যায় চরফ্যাশন উপজেলায় নুরাবাদ ইউনিয়নে জেলেদের ত্রানের চাল চুরির খবরে এসিল্যান্ড চরফ্যাশন চাল উদ্ধারে অভিযান চালায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নুরাবাদ ইউনিয়নের স্বীকৃত রাজাকার আজহার দফাদার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তার ছেলে মাসুদ দফাদার এর ঘর থেকে ৩০ কেজির তিনটি এবং দেড় মন ওজনের ১টি চালের বস্তাসহ মাসুদ দফাদারের ছেলে মিজানকে গ্রেফতার করে। একই বাড়ির কালামের ছেলে সোহানের বাসা থেকে ৩ বস্তা ত্রাণের চাল সহ তাকে আটক করে। পরে সোহানকে ছেড়ে দিয়ে কোন প্রকার তদন্ত না করে চাল চোরের মূল হোতাদের চিহ্নিত না করে মিজানকে মোবাইল কোটের নামে ১ মাসের সাজা দেয়া হয়। নুরাবাদে চাল উদ্ধারের ঘটনায় পুরো এলাকা জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পরলেও চাল চোরের প্রকৃত কালপ্রিটদের অন্ধকারেই রেখে দিলেন কর্তা ব্যক্তিরা। অবিযান চলাকালীন সময় চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহি অফিসার মোঃ রুহুল আমিন ভোলা নিউজকে বলেন, এসিল্যান্ডর এর নেতৃত্বে অভিযান চলছে। এখন পর্যন্ত ৪ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে।
অপর দিকে একই উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আল ইমরান প্রিন্স এর ব্যাক্তিগত মোটর বাইকের ড্রাইভারের কাছ থেকে ৪ বস্তা ত্রাণের চালসহ অসংখ্য ত্রানের চালের খালি বস্তা উদ্ধার করা হয়। তবে চেয়ারম্যান প্রিন্সকে আড়াল করতেই স্থানীয় প্রশাসন ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা না করে কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই আসামিদের দায় মুক্তি দেয়া হয়েছে বলেও দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

এ দিকেভোলার ত্রাণ কর্মকর্তার জানিয়েছেন জেলেদের ত্রানের চাল তসরুপ এর দায় কোন ভাবেই এরাতে পারেন না স্থানীয় চেয়ারম্যানরা। তবে স্থানীয়রা জানিয়েছেন গতকাল ১ মে নুরাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ত্রাণের চাল বিলি বন্টন করেছেন।

SHARE