শ্বশুরের দায়ের করা মিথ্যা অভিযোগে সেনাসদস্য বিল্লাল কারাগারে

এম এইচ ফাহাদঃ-
দেশরক্ষার কাজে নিয়োজিত থাকা একটি দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহন করা এবং দুঃখী বাবা মায়ের সপ্ন পুরনের সন্তান মোঃ বিল্লাল হোসেন শ্বশুরের দায়ের করা মিথ্যা অভিযোগে স্বিকার হয় কারাগারে রয়েছেন।
ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে নবীপুর গ্রামের বসবাসরত সামান্য একজন রিক্সার গ্যারেজ ম্যাকানিক মোঃআবদুল হাকিম মিয়ার বড় সন্তান তিনি।

২০০০ সালে মাধ্যমিক স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে যখন কলেজ পড়ুয়া অবস্থায় দরিদ্র বাবা মায়ের কষ্টের লাগব করার জন্যে ভাগ্যগুনে ২০০২সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকুরির সুযোগ সৃষ্টি হয় তাহার।

দেশসেবা নিয়োজিত থাকা একজন সেনাসদস্য চাকুরিতে যোগদান করার পরই পরবর্তীতে সময়ে ২০১১সালে বাবা মায়ের ইচ্ছায় পারিবারিকভাবে ভোলার চরস্যামাইয়া ইউনিয়নের মোঃশাজাহান হাওলাদারের মেয়ে আখিতারা বেগমকে বিয়ে করেন।
বিবাহর পর পরই দাম্পত্যজীবন ও সাংসারিক জিবনে বেশিভাগ সময়ে তাহাকে দেশে সেবার কাজে নিয়োজিত থাকতে হয় এবং একজন সেনাসদস্য বিভিন্ন জেলায় চাকুরিরত অবস্থায় সময় কাটাতে হয়েছে। বিয়ের পর ৬ বছর ধরেই বেশ সুখেই কেটেছে দাম্পত্যজীবন।তাইত নিজ বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা মায়ের দেখবাল করার লক্ষে স্ত্রী আখি’তারাকে তাহার নিজ বাড়িতেই রেখেছেন।
অপরদিকে দাম্পত্যজীবনে তাদের ৩ এবং ৭ বছরের দুটি পুত্রসন্তানে জন্মদাতা পিত এই বিল্লাল হোসেন।

সেনাসদস্য হয়ে
দায়িত্ব পেয়ে বাংলাদেশ সরকারের সেনাবাহিনীর শান্তি মিশন প্রতিরক্ষায় সততার সাথে দায়িত্ব পালন শেষে সুনামের সাথে দেশে ফিরেন।

কিন্ত এর পরই শুরুহয় তাহার উপর নেমে আসে অভিসপ্ত কালো অধ্যায় বউ,শ্বশুর এবং সমুদি ভাইসহ পুরো পরিবারবর্গের করা মিথ্যা অভিযোগ ও বউকে কুপরামর্শ প্রধান করে বিভিন্ন সময়ে ষরযন্ত্রে এক নীল নকশা স্বিকার হন এই সেনাসদস্য।

অপরদিকে তথ্যসুত্রে যানা যায় বউয়ের আবদার রাখতে তাহার সমুদি ভাই মোঃকামরুল ইসলাম কে ৫০হাজার টাকা দার সরুপ দেয় বিল্লাল। এছাড়া বিল্লালের মিশন সমাপ্ত করা বাংলাদেশ সরকার কতৃক পাওয়া মিশনের সেই টাকা বউয়ের নামে ব্যাংক ডিপোজিট না করাকেও কেন্দ্রকরেই সাংসারিক দাম্পত্যজীবনে বিভিন্ন সময় স্বশুর বাড়ির কুমন্ত্রণাদাতা জন্মদিতে থাকে তাহার স্ত্রী ও তাহার পরিবারবর্গের উপর।

এমন এক অবস্থায় বিল্লাল ২০১৭সালে ডিসেম্বর মাসে তাহার সমুদিকে দেওয়া ধারের টাকা ফেরত চাইলে।
সমুদি কামরুলের টাকা ফেরত দেওয়ার বিভিন্ন তালবাহানা এবং জমিকেনার নাম করেও ঘুরাঘুরি করে।
দরিদ্র বাবা মায়ের সাথে বসবাস করার আপন সপ্ন দেখা একজন সেনাসদস্যর জীবনে নেমে আসে ঘোর অন্ধকার মানষিক টর্চারের একটি কালো অধ্যায়।

এদিকে ২০১৭ সালে ডিসেম্বর মাসে বিল্লাল তার সঞ্চয় করা টাকায় বাবার পুরোনো টিনসেট মাটির ঘরটিকে আদাপাকা করার পরিকল্পনা করে বউয়ের বড়ভাইর কাছ থেকে টাকা ফেরত চায় বিল্লাল। ঠিক তখনি ফের শুরুহয় শ্বশুরসহ পরিবারের চক্রান্ত আর এই চক্রান্ত ভয়ংকর আকার ধারন করে। শ্বশুর বাড়ির লোকজন নিজ স্ত্রীকে লেলিয়ে দেওয়া হয় তাহার ঘর নির্মানের সুন্দর পরিকল্পনাকে নসাৎ করার সপ্নকে। একপর্যায় ২০১৮ইং জানুয়ারী ১তারিখে স্ত্রী তাহার শ্বশুর স্ত্রীর বড় ভাই কামরুলের সাথে টাকা ফেরত না দেওয়ার সামান্য কথা কাটাকাটির একপর্যায় বিল্লালের বাড়ি থেকে তাহার স্ত্রীকে নিয়ে বাবার বাড়ি চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনার পরই শ্বশুর বাড়ির করা এক চক্রান্তে বিল্লালের পেশাগত ১৬টি বছরের ক্যারিয়ারকে ধংস করতে তারা বাংলাদেশ সেনাদপ্তরে তাহার বিরুদ্ধে ১০লক্ষ টাকার যৌতুক চাওয়ার একটি লিখিত অভিযোগ করায় নিজ স্ত্রীকে দিয়ে। যদিও পরে সেনাদপ্তরে এই অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বানোয়াট হিসেবেই গন্য হয়।

পরে বিল্লালসহ তাহার পরিবারের অভিবাবক ঘটনার ইতি টানতে সমঝোতা করেও ব্যার্থ হয় বলে জানান তাহার পরিবার। তাহারা অভিযোগ করে বলেন,মুলত ধার দেওয়া টাকা এবং মিশনের টাকা চাওয়া ও বউয়ের বাবার বাড়িতে ঘর তোলার নামে ব্যাংক ডিপোজিট না করাকে কেন্দ্রকরেই এই লোভী শ্বশুর ও সমুদি কামরুলের নীল নকসা বাস্তবায়ন করার এই পরিকল্পনা দ্বন্ড সৃষ্টি হয়।

এদিকে সেনাদপ্তরে করা অভিযোগও যখন মিথ্যা প্রমানিত হয়ে ব্যার্থ হয় ঠিক তখনি পুঃনরায় বউকে তাহার বিরুদ্ধে মামলা করার এক হীন মানশিকতা জন্মহয় শ্বশুরে। তাইত ঘটনার দিন ২০১৭সালের ডিসেম্বর মাসে ভোলা সরকারি হাসপাতালে নাটকীয় ঘটনা জন্মদিতে তার সুস্থ বউকে অসুস্থ রোগির নাটক সাজিয়ে ভর্তি করা হয়। আর সেই নাটকের সার্টিফিকেট দিয়েই তার বিরুদ্ধে ভোলা সদর থানায় তাহার নির্দোষ দুই ছোট ভাইকে জড়িয়ে নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালে একটি যৌতুক মামলা ৪৪২/১৮ মামলা দায়ের করে স্বশুর বাদী হয়ে।

এদিকে বিল্লাল স্থানিয় ইউপি চেয়্যারম্যান ও গন্যমান্যব্যক্তির মাধ্যমে দুই সন্তানের অদুর ভবিসৎ এর কথা চিন্তাকরে একটি সুখের সংসার রক্ষায় বিভিন্নভাবে তার সমঝোতার চেষ্টা করেও অবশেষ ব্যার্থ হয়। তবে তাতেও যেন ব্যার্থ হয়। অপরদিকে শ্বশুর বাড়ির লোভী লালসা যেন হিংস্র মানষিকতার জন্মদিয়ে দির্ঘ ৯টি বছরের একটি সুখী সংসারকে তছনস করার পরিকল্পনা শেষপর্যন্ত সফল হয়।

এদিকে বিল্লাল জেলহাজতে বসে চোখের জল ভাসিয়ে সাংবাদিকদের করুন কাহিনী বর্ননা দিয়ে বলেন। আমি আইনের একজন সৈনিক তাই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়েই গত ২২জুলাই সেচ্ছায় আদালতে হাজির হয়েছি। অথচ মামলার বাদী আমার শ্বশুর তাতে আপত্তি দিলে কোর্ট আমাকে জেল হাজতে পাঠায়।

এদিকে জেলে পাঠিয়েই ক্ষান্ত হননি লোভী ওই পরিবার, ভোলার কতেক পত্রিকায় তাহার সন্মানহানী করতে অসত্য তথ্যাদি দিয়ে সংবাদও প্রকাশ করিয়েছেন। যদিও পরবর্তীতে পত্রিকায় উক্ত ঘটনা মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় পত্রিকায় তাহার পক্ষে সংবাদ এর প্রতিবাদ দেওয়া হয়।
তাই সেনাসদস্য বিল্লাল ও পরিবারের দাবি একটি সত্য ঘটনাকে আড়াল করে দুই পুত্রসন্তানসহ চারটি জিবন ও একটি সুখের সংসার ভেংগে দিয়েছেন যারা, তাদের বিচারের দাবি ও মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তির দাবি জানান তার পরিবার।

SHARE