ভোলার চরফ্যশনে শিক্ষক নেতার উপর বর্বোরচিত হামলা

0
146

বিশেষ প্রতিনিধি।
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলার স্বিকার হয়েছেন ভোলার লালমোহন উপজেলার সাবেক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও অবসরপ্রাপ্ত সাবেক শিক্ষক,মোঃ রুহুল আমিন মাস্টার (৭৫) ও তাহার স্ত্রী মোমতাজ বেগম (৬৫) এবং কন্যা রুমা বেগম (৩২)।উক্ত ঘটনায় বাদীপক্ষের করা প্রধান আসামি আবদুল হাসিমকে গ্রেফতার করেছে চরফ্যশন থানার পুলিশ।

তবে পরিবারবর্গ ও স্থানীয় অমরপুর ইউনিয়ন বাসির দাবি এই ঘটনার জন্ম দেওয়া মুলহোতা ও একসময়ের ২০০০ইং সালের কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও চুরি ডাকাতি মামলাসহ বিভিন্ন অপকর্মের অভিযুক্ত জাহাংগীর গংদের অতি দ্রুত প্রশাসনের কাছে গ্রেফতারে দাবি জানায় স্থানীয় জনতা।

উল্লেখ্য গত বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টায় অমরপুর গ্রামের ৩নং ওয়ার্ডের চরফ্যাশনের আসলামপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের অবসরপ্রাপ্ত সাবেক শিক্ষক রুহুল আমিন মাষ্টার (৭৫) এর উপর একই এলাকার প্রতিপক্ষ আব্দুল হাসিম ও জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ৭-৮ জন মিলে বর্বোরচীত হামলা করে। বাদীপক্ষের অভিযোগ করে বলেন,সকাল ১০টায় ওয়ার্ডের নিজস্ব বাড়ির আঙ্গিনায় নিজ জমির গাছ কাটতে যান আহত সাবেক শিক্ষক ও মামলার বাদী মোব রহুল আমিন মাস্টার। পরে উক্ত গাছ কাটায় বাধা প্রধান করে প্রতিপক্ষ আসামি আঃ হাসিম ও জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ৭-৮ জন মিলে বাধা দেয় এবং বৃদ্ধ শিক্ষককে হত্যার উদ্দ্যেশ্যে দেশিও ধারালো অস্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এসময় তাকে বাচাঁতে এগিয়ে আসে স্ত্রী ও তাহার কন্যা সন্তান একপর্যায় তাদেরকেও এলোপাথারি মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায়।

পরে আহতদের পরিবাবারের সন্তান মাওলানা গোলাম মোরশেদ ও তাহার ভাই খবর পেয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে মূমুর্ষ অবস্থায় চরফ্যাশন থানায় নিয়ে মৌখিকভাবে ঘটনাটি অবহিত করেন। পরে চরফ্যশন থানাপুলিশের নির্দেশনায় তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য এডমিন করা হয়।

এব্যাপারে চরফ্যাশন হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক হাসান মাহমুদ জানান, আহত রুহুল আমিনের মাস্টারের মাথায় গুরুতর জখম হওয়ায় ৭টি সেলাই করা হয়েছে এবং তার মাথায় রক্ত ক্ষরন ও আঘাতের কারনে তাহার অবস্থা এখনও আসংকাজনক রয়েছে তাই তাহাকে উন্নত চিকিৎসা প্রধানের পরামর্শ দিয়েছেন কর্তব্যরত এই চিকিৎসক।

এদিকে গতকাল (২৬জুলাই শুক্রবার) আহত শিক্ষকের সন্তান মাওলানা গোলাম মোরশেদ এর কাছে এব্যপারে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান,আমার বাবার অবস্থা গুরুতর বিধায় পরিবারবর্গ সিদ্ধান্ত মোতাবেগ তাহাকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছি। এছাড়াও বাবার পাশাপাশি আমার মা ও বোনও এখনও জখম অবস্থায় রয়েছেন। এবং তিনি এই ঘটনার মুলহোতা জাহাংগীর সহ সকল আসামির গ্রেফতার এবং শাস্তির দাবি জানান।

এব্যাপারে মামলার অগ্রগতি সম্পরকে জানতে চাইলে চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ শামসুল আরেফিন বলেন,আমি আহতদের চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষনিক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঠিয়েছি। পরে তদন্ত সাপেক্ষে আসামিদের বিপক্ষে অভিযোগ সত্য প্রমানিত হওয়ায় বাদী পক্ষের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের এজহার গ্রহন করেছি। যাহার মামলা (নং১৬৮)মামলাটি তদন্ত চরফ্যশন থানার অফিসার এস আই ওয়াজেদ কতৃক অভিযান পরিচালনা করে বাদীপক্ষের মামলার ১নং আসামি আবদুল হাসিমকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছি। বাকী আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতার করা সম্বব হয়নি। তবে অন্যন্য আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।