যত অনিয়মের কারবারী ইলিশার মেম্বার শাহে আলম

স্টাফ রিপোর্টার

বর্তমান সরকার যখন মানুষের দারপ্রান্তে সেবা দিচ্ছেন এবং গরীব অসহায় মানুষের কল্যানে প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নয়ন করে যাচ্ছেন আর সেই মুহুর্তে সদর উপজেলার ২ নং ইলিশা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার শাহে আলম সিকদার সাধারণ অসহায় মানুষদের জিম্মি করে বয়স্ক ভাতা, টিউবওয়েল দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, মেম্বার শাহে আলম দায়িত্ব নেওয়ার পর তার দুই ছেলে প্রতিদিন এলাকায় জুয়ার আড্ডা বসিয়ে এলাকার যুব সমাজ কে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে বাবা মেম্বার, চাচা যুবদল নেতা অন্যদিকে প্রভাবশালী সিকদার বাড়ীর লোক হওয়ায় ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পাচ্ছে না বলে জানান স্থানীয়রা।

৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা শাহে আলম জানান, আমার বাড়ীর পাশের মেম্বার শাহে আলম আমার কাছে গিয়ে বলেন তোমার ভোটার আইডি কার্ডের ছবি একটু দিও তার কথা মত আমি দেয়।

পরে কয়েক দিন পরে আবার গিয়ে বলে আজ বিকালের মধ্যে ৩ হাজার টাকা দিবা তাহলে তোমাকে একটা বয়স্ক ভাতা কার্ড করে দিবো, মেম্বারের কথা অনুযায়ী আমি সুদের উপর টাকা নিয়ে তাকে দেয় কিন্তু আর কার্ড পায়নি, আরো ২ হাজার টাকা সুদ দিয়েছি কিন্তু মেম্বারের কাছে কার্ড চাইলে আরো বাজে ধরনের কথা বলে।

অন্যদিকে মেম্বারের এক আত্নীয় জানান শাহে আলম মেম্বার আমাকে টিউবওয়েল দেওয়ার নাম করে ২০ হাজার টাকা নিয়েছে আমি ছাগল বিক্রি করে টাকা দিয়েছি কিন্তু আজ পর্যন্ত টিউবওয়েল দেয় নাই।

পরে আমি অন্য ভাবে টিউবওয়েল এনেছি।

তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাহে আলম সিকদার জানান, আমার সামনে এসে কথা বলতে বলেন, আপনি কোথায় আছেন প্রমাণ করবো? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন আমি এখন ভোলায় আছি পরে কথা বলবো।

SHARE