ভোলায় কোস্টর্গাডের সোর্স জিয়া ও জুয়েলের বিরুদ্ধে জেলেদের চাঁদার অভিযোগ।

বিশেষ প্রতিনিধিঃভোলা নিউজ
ভোলার গণমানুষরে নেতা সাবকে সফল বানিজ্যমন্ত্রী আলহাজ্ব তোফায়লে আহমদে এমপি ভোলার মৎস সম্পদ সংরক্ষনে মৎস অধদিপ্তরকে রেনুমাছ নিধন না করার জন্য প্রতিটি গ্রামে পাড়া মহল্লায় সচতেনতা শত ভাগ বাস্তবায়নরে ঘোষনা দিয়েছেন এবং সাবকে এই বানিজ্যমন্ত্রী’র ঘোষনা অনুযায়ী চলমান রয়েছে সকল নদ নদী ও খালে অবধৈ বেহুন্দি,মশারি,খুটা,ওটাংগি জাল দিয়ে কোন প্রকাররে মাছরে রেনু যেনো ধ্বংশ না হয়। আর এই নির্দিশনাকে বৃদ্বাঙ্গুলি দেখিয়ে স্থানীয় কিছু প্রতারক চক্ররা ধ্বংশ করে চালিয়ে যাচ্চে অবাধ বানিজ্য। স্থানয়ি বহেুন্দি জেলেরা জানান কোস্ট র্গাডরে মাঝি জিয়া জুয়েল আমাদের কাছ থেকে প্রতি মাসে তিন হাজার টাকা করে নেন। বহেুন্দি জাল বাইতে দেওয়ার নামে।আমরা তাদের টাকা দিয়ে জাল বাই এর মধ্যে নদীতে মাছ ছিলোনা আমরা লোকসানে ছিলাম। গত দুই তিন দিন ধরে মাছ ধরা ভালো ছিল। হঠাৎ সন্দ্যায় জিয়া ও জুয়েল মাঝি আমাদের ডেকে বলে কোস্টর্গাডের নির্দেশে তোমরা জাল বাইতে পারবানা আমরা জানতে চাইলাম কেনো বাইতে পারবো না আমরা প্রতি মাসে আপনাদের মাধ্যমে কোস্টর্গাডকে জনপ্রতি তিনহাজার টাকা করে দিয়ে আসছি তখন নদীতে মাছ পাইনি এখন মাছ পাবার সময় একথা বলেন কেনো তাহলে আপনারা স্যারদেরে টাকা দেন নাই। পরে জিয়া ও জুয়েল মাঝিদের বলনে তবে কোস্টর্গাডরে জন্য আজই বিশহাজার টাকা দেয়া লাগবে। যদি দিতে পারো আধা ঘন্টার মধ্যে আমাকে বলবা অন্যথায় জাল ধরলে আমাকে দোষতে পারবানা। নদীতে এখন মাছ পরে বলে তৎক্ষনাত আমরা তাদরেকে ১০ হাজার টাকা দেই। কিন্তুু তারাই আবার সকালে কোস্টর্গাড নিয়ে আসে।

সরজমিনে ভেদুরিয়া ইউনয়িনে দেখা যায় ভোলার ভেদুরিয়ার মাছ ব্যবসায়ীরা জানান আমরা প্রতিদিন ২০০০ টাকা করে কোস্ট র্গাড এর মাঝি জিয়ারে দিয়ে থাকি কিন্তুু একদনি দিতে দেরি হওয়ার কারণে আমাদের মাছ আটক করে নিয়ে অন্য জায়গায় বিক্রি করে দেয়।

স্থানীয়রা জানান, ভোলার গণমানুষরে নেতা আলহাজ্ব তোফায়লে আহমদে এমপি আমাদরে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষনরে কথা বিবেচনা করে মৎস র্কমর্কতা ও কোস্টর্গাডকে আজকের রেনু
আগামীর মৎস সম্পদে পরনিত করার ব্যবস্থা করলে ও আজ আমরা জিন্মি হয়ে আছি জিয়া ও জুয়লে, ইউসুপরে কাছে। সবার প্রশ্ন কে এই জুয়লে, ইউসুপ কোথায় তাদরে ক্ষমতার উৎস? কিভাবে তারা বাংলাদশে সরকাররে একটি সুনাম ধন্য বাহিনী ( কোস্টর্গাড) এর নাম বিক্রি করে জেলেদেরে অবৈধ উৎসবে মৎস রেনু নিধননে উৎসাহ দিয়ে ধ্বংশ করনে মৎস সম্পদ।

অভিযুক্ত জিয়ার সাথে ফোনে কল দিলে সে কল রিসিভি করনে নাই।

এদিকে বাংলাদেশ কোস্টর্গাড দক্ষিন জোন কমান্ডার ফোনে জানান কোস্টর্গাডরে নাম করে কোন মাঝি যদি কোন জেলেদেরে কাছ থেকে চাঁদার জন্য যায় মাঝিদেরকে তাৎক্ষণকি বেঁধে রেখে। আমাদরেকে ফোন দিবে তিনি আরো জানান আমার কাছে কোস্ট র্গাড এর মাঝি পরচিয় দিয়ে জিয়া নামে এক ব্যক্তি জেলেদেরে কাছ থেকে চাঁদা আদায় করছে বলে অভিযোগ করছেনে জেলেরা। আমরা তদন্ত করে এই ধরনরে মাঝিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব।

SHARE