দরকার হলে বিদেশে পাঠানো হবে চামেলীকে : প্রধানমন্ত্রী

0
37

ডেস্ক: ভোলানিউজ.কম,

চিকিৎসার অভাবে অকালে ঝরে যেতে বসা নারী ক্রিকেটার চামেলী খাতুনের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। শুক্রবার চামেলীকে আকাশ পথে রাজশাহী থেকে ঢাকায় আনা হয়। বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের তত্ত্বাবধানে আছেন। দেশে যদি চিকিৎসা সম্ভব না হয় তবে চামেলীকে বিদেশে নেয়া হবে- এমনটাই জানিয়েছেন বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

চামেলীর চিকিৎসার ব্যাপারে পাপন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিজেই বিষয়টা দেখভাল করছেন। চামেলী আজ এখানে এসেছে ওটা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই। আমরাও ওকে সাহায্য করার জন্য প্রস্তত। কিন্তু সর্বপ্রথম যেটা দরকার সেটা হল, ওর সমস্যাটা আসলে কী সেটা খুঁজে বের করা। আমার মনে হয় ও সবচেয়ে ভালো জায়াগাতেই এসেছে (পঙ্গু হাসপাতাল)। এখানকার ডাক্তারগণ আমাদের জানাবেন কি কি করতে হবে। এরপর প্রয়োজন হলে বিদেশেও নিয়ে যাব। আমরা সবসময় সবার সঙ্গেই আছি।’

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের হয়ে একটা সময় মাঠ মাতিয়েছেন চামেলী। কিন্তু গত আট বছর ধরে তিনি বিছানায়। মেরুদণ্ডের দুই হাড়ের ডিস্ক নষ্ট হয়ে গেছে। পায়ের লিগামেন্টও ছেঁড়া। অসুস্থতার চরম পর্যায়ে উপনীত হওয়ার পর সম্প্রতি চামেলী অভিযোগ করেন, বিসিবির পক্ষ থেকে নাকি কোনো সাহায্যের আবেদন আসেনি তার কাছে। তবে পাপন জানালেন অন্য কথা। চামেলী বড় চোটে পড়েছেন এই খবর নাকি জানতই না বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। যখন বিষয়টি বিসিবির কানে যায়, তৎক্ষণাত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাপন।

এই প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি বলেছেন, ‘ওর (চামেলী) স্পাইনাল কর্ডে নাকি সমস্যা আছে। লিগামেন্টে ইনজুরি আছে। এটা নিয়ে আমাদের ধারণা, ও হয়ত বিষয়টি লুকিয়ে রেখেছিল। চামেলী সেদিন বলল, ২০১১ তে নাকি ওর সমস্যাটা হয়। কিন্তু ২০১৪ সালেও কিন্তু ও খেলেছে। কাউকে না জানিয়ে ব্যথা নিয়েই হয়ত খেলেছে। ওর ব্যাপারটায় একটু বেশিই খারাপ লাগছে। কারণ, ও ব্যথা নিয়ে খেলে গেল; অথচ এতদিন পর্যন্ত আমরা জানলামই না সেটা!’

পাপন সঙ্গে যোগ করেন, ‘আমরা যখন প্রথম জানতে পারি তখনই তার বিষয়ে খবর নেয়ার জন্য লোক পাঠাই। আমরা শুনেছি, ও বিসিবির কাছে সাহায্য চাইছে।  আমরা বলেছি, যা দরকার তা বিসিবি করবে। ক্রিকেটের বাইরের লোকদের আমরা সাহায্য করে থাকি। ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট হলে তো কথাই নেই।

(আল-আমিন এম তাওহীদ, ২নভেম্ববর-২০১৮ইং)