ভোলার এক সম্পাদকের ডায়েরী থেকে…

0
123

ইয়ামিন হোসেনঃ

ভোলা নিউজ-২২.০৯.১৮

ভোলার সাংবাদিকতা ফ্রি এন্ড ফেয়ার। এই জেলাটি যেমন ঐতিহ্যবাহী একটি জেলা তেমনি এখানে সাংবাদিকতার একটি ঐতিহ্যও রয়েছে।আবুসফিয়ান বাহার ভাইয়ের মত সাংবাদিক ও এজেলায় জন্মনিয়েছিলো। ভোলার আজন্ম সমস্যা নদী ভাঙ্গন নিয়ে কাজ করেছেন এখানকার সাংবাদিকরা আহার নিদ্রা হারাম করে। জেলার বন্ধত্ব গুছানোর জন্য ভোলা লক্ষীপুর ফেরী চলাচল উদ্ভোধনে ১/১১ সরকারের সময় এই সাংবাদিকরাই কাজ করেছেন বিরোতিহীন ভাবে। আজ ভোলার সাংবাদিকতা নিয়ে ইতিবাচক ও নেতিবাচক কত কথা বাতাশে ভাসে। এ নিয়ে আমাদের ভোলার একজন আপোষহীন সাংবাদিক সম্পাদক মাকসুদুর রহমান তার ফেইসবুকে ২১সেপ্টেম্বর রাত ৮ টা ২০ মিনিটে একটি স্টাটাস দিয়েছেন। ভোলা নিউজের পাঠকদের জন্য স্টাটাসটি তুলে ধরলাম….

প্রিয় ভোলাবাসি
আসসালামু আলাইকুম।আনন্দের সাথে বলছি দৈনিক ভোলার বাণী প্রায় দুই বছর ধরে আপনাদের মুখপাএ হিসেবে কাজ করে চলছে। অসহায় মানুষ, গরিব ধনী, রাজনৈতিক, প্রশাসনিক সহ সকল সংবাদ প্রকাশ করে আসছে ।
প্রশংসা সাহশ সকলই পেয়েছি।
কিন্তু যখন কারো বিরুদ্বে প্রমান সহ সংবাদ প্রকাশ করতে যাই তখনি খটে বিপত্তি।
তখনি আমাদেরকে রাজনৈতিক তকমা লাগিয়ে দেওয়া হয়। সংবাদটি বিএনপির নেতা কর্মীদের মনে কষ্ট দিলে তখন হয়ে যাই আওয়ামীলিগ সমর্থক । আওয়ামীলিগ নেতা কর্মীদের মনে কষ্ট হলে তখন হই বিএনপি বা জামায়াত নেতা। আর কোন দুষ্ট মুক্তিযোদ্বার(যারা অসহায় মুক্তিযোদ্বাদের জীবন,চাকরি,ভাতা নিয়ে ছিনিমিনি করে) নিয়ে লিখতে যাই, তখন হয়ে যাই চাদাবাজ ও জামায়াত নেতা।
প্রিয় এফবি বন্ধুরা
কারো বিরুদ্বে সংবাদ প্রকাশ করতে হলে (প্রমান থাকার পরও) ঔ ব্যাক্তিকে অবশ্যই জিন্ঘাসা করতে হবে এবং তার বক্তব্য প্রকাশ করতে হবে, নইলে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ হবেনা। যখনি অভিযোগের ব্যাপারে জিন্ঘাসা করা হয় তখনি বাজে বিপত্তি। আর প্রকাশ হওয়ায় শুরু হয় ইতিহাস।
প্রিয় পাঠক
আমার সাংবাদিকতার বয়স ঢাকা আর ভোলা মিলে সাত থেকে আট বছর। এই সময়ের মধ্যে আমি কোন দিন কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্বে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে থাকি অথবা টাকার বিনিময়ে করে থাকি অথবা চাদাবাজি করে থাকি অথবা টাকা খাওয়ার জন্য অভিনয় করে থাকি এমন প্রমান কেহ দিতে পারেন, তবে আমি পত্রিকা বন্ধ করে সাংবাদিকতা ছেড়ে দিবো। যদি না করি আপনারা আমার জিব্বাটা কেটে দিবেন।
মোবাইলে টাইপ করাতে অনেক ভুল হয়েছে তাই ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করছি।
মোহা:মাকসুদুর রহমান
সম্পাদক দৈনিক ভোলার বাণী
ভোলা