ভোলার গর্ডফাদাররা কেন ধরা ছোঁয়ার বাহিরে– সফিকুল ইসলাম

0
434

বিশেষ প্রতিনিধিঃ

ভোলা নিউজ-০৩.০৭.১৭

মাদক ব্যাবসায়িদের মূলু উৎপাটনের জন্য সাংবাদিক সমাজ সহ সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রসাশনকে সাহায্য করতে হবে মাধকের বিরুদ্ধে সরকারের অভিযানকে সফল করার জন্য সাংবাদিকদের সহয়তা কামনা করেন ভোলার এই প্রতিবাদি ভিবেক। তিনি প্রসাশানের উদ্দেশ্যে বলেন, সংবাদকর্মীরা মানুষের কল্যানে কাজ করে কিন্তু সাংবাদিকদের বিপদে কেউ এগিয়ে আসে না, তাই সকল সাংবাদিক ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে আর সাংবাদিকদের বিপদে প্রশাসনকে এগিয়ে আসতে হবে। আজ এনটিভির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী  উপলক্ষে ভোলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত অনুষ্টানে খোলা মেলা এসব কথা বলেন ভোলাজেল নাগরিক পরিষদের সাধারন সম্পাদক বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ত্রান ও সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক ভোলা চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক সফিকুল ইসলাম।

মাদকের চলমান অভিযান নিয়ে তিন বলেন, ভোলার পুলিশ সুপার মাদকের বিরুদ্ধ কার্যকরি ও একের পর এক সফল অভিযানে ভোলার মাদক ব্যাবসায়িদের রাতের ঘুম হারম হয়ে গেছে। অভিযানে এখন পর্যন্ত অনেক মাদক সেবি ও মাদক পরিবহন কারী গ্রেফতার হচ্ছে। ইতিমধ্যে ভোলার এক চিহ্নিত মাদক ব্যাবসায়ী পুলিশের সাথে বন্ধুক যুদ্ধে নিহত হয়েছেন। এজন্য তিনি পুলিশ সুপার মুহাম্মোমদ মোক্তার হোসেনকে অভিনন্দন যানিয়ে ভোলা নিউজকে বলেন, আমরা ভোলায় পুলিশের চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে বাহক এবং মাদক সেবনকারী পর্যাপ্ত পরিমানে গ্রেফতার হলেও কেন এক জনের বেসি চিহ্নত গর্ডফাদরদের গ্রেফতার করতে পারেননি পুলিশ। একারনে তিনি পুলিশ সুপারের বিভিন্ন উইংসকে দায়ীকরে বলেন, ভোলার পুলিশ সুপার মাদককে সমূলে উৎপাটন করতে চাইলেও যারা পুলিশ সুপারের অধিনস্থ তদন্তকারী কর্মকর্তা রয়েছেন তাদের সদইচ্ছা ও সঠিক তদন্তের অভাবে একের পর এক সফল অভিযানে পার পেয়ে যাচ্ছে মাদকের মুল হোতারা। পরিশেষে তিনি কলম্বিয়ার মাদক সম্রাট পাভলো স্কবারের কথা স্বরন করিয়ে দিয়ে পুলিশ সুপাবের উদ্দেশ্যে বলেন, সকল অভিযানে ব্যার্থ হয়ে কলম্বিয়ার প্রশাসন একটি বিশেষ বাহিনী তৈরৈ করে স্কবারের অধ্যায় শেষ করতে সক্ষম হয়েছিলো ভোলার পুলিশ সুপার ডিবি আনসার, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে একটি স্পেশাল টিম তৈরী করে তাদের সমন্বিত অভিযানই কেবল ভোলার মাদকের গর্ডফাদরদের নির্মুল করতে সক্ষম হবে বলে জানিয়েছে ভোলার অসহায় মানুষ নিয়ে কজকরা এ নেতা।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালের ২৭ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও ১৪ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে একটি তালিকা প্রকাশ করে। এ তালিকায় ভোলায় হেরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও পেথিডিনসহ মাদক কারবারির সংখ্যা ১৫৪। তাদের মধ্যে প্রায় ৩০ জন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ এবং ডজনখানেক বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাদের মধ্যে ২৬ জন ফেনসিডিল, সাতজন হেরোইন এবং বাকিরা ইয়াবা ও গাঁজা কারবারে যুক্ত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকায় এসব কারবারিকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, বেশির ভাগ কোনো না কোনো রাজনীতির মতাদর্শে বিশ্বাসী। তাদের মধ্যে স্থানীয় সরকারের জনপ্রতিনিধিদের ছেলে, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, ছাত্রদল, যুবদল ও তরুণ লীগের নেতারা রয়েছেন। জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিবিদদের দিক দিয়ে চরফ্যাশন উপজেলায় মাদক কারবারির সংখ্যা বেশি। তবে মাদক কারবারির সংখ্যায় ভোলা সদর উপজেলা এগিয়ে। তালিকায় সদরে ৫৬, চরফ্যাশনে ২৮, মনপুরায় ২০, তজুমদ্দিনে ১০, লালমোহনে ১৮, দৌলতখানে পাঁচ ও বোরহানউদ্দীনে ১৭ জনের নাম রয়েছ।

ভোলার বর্তমান মাদকের বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষনাকারী আপোষহীন পুলিশ সুপার মোক্তার হোসেনের চলমান এ অভিযানে ভোলার চিহ্নত এ ব্যাবসায়ীরা বেচে গেলে ভয়ংকর বিপদে পরবে ভোলার প্রতিটি পরিবার। কারন মাদক একটি পরিবারে কোনক্রমে ডুকলে ওই পরিবার যতই সম্ভ্রান্ত ও অর্থনৈতিক ভাবে শক্তিশালী হোক না কেন ওই পরিবার গুলো ধ্বংশ হবার আশংকাও যানিয়েছেন সফিকুল ইসলাম।