ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীদের ডেকেছেন শেখ হাসিনা

0
122

অনলাইন ডেস্ক;ভোলানিউজ.কম,

ছাত্রলীগের নতুন কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারী সবাইকে ডেকেছেন শেখ হাসিনা।

আগামী বুধবার সন্ধ্যা ছয়টায় গণভবনে পদপ্রত্যাশীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সভাপতি কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন ছাত্রলীগের নেতারা।

গত ১১ ও ১২ মে ছাত্রলীগের ২৯ তম জাতীয় সম্মেলন হলেও কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। সম্মেলনের প্রথম দিন বক্তব্য দিতে এসে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক নেত্রী শেখ হাসিনা ভোটাভুটির বদলে সমঝোতার ভিত্তিতে কমিটি দেয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু পর দিনের কাউন্সিল অধিবেশনে সমঝোতায় আসতে না পেরে সংক্ষিপ্ত তালিকায় শেখ হাসিনার কাছে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

কিন্তু প্রায় দুই মাস হয়ে গেলেও নতুন কমিটির ঘোষণা না আসায় পদ প্রত্যাশীদের মধ্যে এক ধরনের হতাশা বিরাজ করছে। এর মধ্যে ডেকে পাঠানোর খবরে দ্রুত কমিটি দেয়ার বিষয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন নেতারা।

জানাত চাইলে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন যারা তাদের সবার সঙ্গে আগামী ৪ জুলাই গণভবনে নেত্রী বৈঠক করবেন।

এবার ছাত্রলীগে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক— শীর্ষ এ দুই পদের জন্য ৩২৩ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। এদের মধ্যে যারা মনোনয়ন ফরম প্রত্যাহার করেছেন বা যারা জমা দেননি, তাদেরকে ছাড়া বাকি সবাইকেই গণভবনে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

২৯তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত নির্বাচন কমিশনের কমিশনার নওশেদ উদ্দিন সুজন ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আমাদের জানিয়েছেন আগামী ৪ জুলাই আপা (শেখ হাসিনা) মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারী সকলের সঙ্গে বসবেন।’

এবারের ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই নেতৃত্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে কথা উঠে। অতীতে নানা সময় ভোটাভুটির সুযোগে কথিত সিন্ডিকেট সক্রিয় হয়ে উঠে তাদের পছন্দের নেতৃত্ব নির্বাচন করে বলে অভিযোগ আছে।

কিন্তু এবার শেখ হাসিনা নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে পদপ্রত্যাশীদের অতীতের কর্মকাণ্ড এমনকি তাদের পরিবারের রাজনৈতিক বিশ্বাসও গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন। তাদের সবার বিষয়ে খোঁজখবর নেয়া হয়েছে গোয়েন্দাদের মাধ্যমে।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের একাধিকবার বলেছেন, ছাত্রলীগে যাতে অনুপ্রবেশ না ঘটে এ জন্য তা যাচাই-বাচাইয়ের জন্য নতুন গঠনে দেরি হচ্ছে।

ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, এবার ছাত্রলীগকে নতুন মডেলে গড়ে তুলবেন তারা। তবে সে নতুন মডেল কী, সেটি এই ঘোষণার পর আড়াই মাসেও জানা গেল না।

(হামিদুর রহমান, ১জুলাই-২০১৮ই)