উত্তাপ বাড়ছে খুলনায়, নৌকায় ভোট চাইলেন ভোলার হিরন

0
80

অনলাইন ডেস্কঃ

ভোলা নিউজ-০৬.০৫.১ বমবট

উত্তাপ বেড়েছে খুলনা সিটি নির্বাচনে। মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন দু’দলেরই ঢাকার কেন্দ্রীয় নেতারা। আজ নৌকার ভোট চেয়ে খুলনা সিটির বিভিন্ন স্পর্টে গনসংযোগে করেছেন ভোলার হিরন। বাংলাদেশ আওয়ামীযুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য  মাহাবুবুর রহমান হিরন। নৌকার পক্ষে ভোট চেয়ে খুলনার ভোটারদের আর ভুল না করার  আহব্বান জানিয়েছেন মাহবুবুর রহমদান।

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী ও ভোটারদের মাঝে নানা ভয় ও শঙ্কা বিরাজ করছে। মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের নেতাকর্মী-সমর্থকদের গ্রেপ্তার, গণসংযোগে হামলা ও হুমকি ধমকির ফলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় খালিশপুর থানাধীন ১৫নং ওয়ার্ডের আলমনগর মোড়ে বিএনপি মনোনীত ও ২০ দলীয় জোট সমর্থিত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর গণসংযোগ চলাকালে তাদের ওপর হামলা করেছে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। এতে মহানগর ছাত্রদল নেতা আল আমিন তালুকদার ও বিএনপি নেতা আব্দুস সামাদসহ ৫/৬ জন আহত হয়েছেন বলে বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। এ ছাড়া বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগে অংশ নেয়া মহানগর যুবদলের সভাপতি ও জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকসহ ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার পর বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পাঁচ ঘণ্টা প্রচারণা বন্ধ রাখেন। এদিকে শুধুমাত্র মেয়র প্রার্থীর নেতাকর্মীদের নয় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র কাউন্সিলর প্রার্থীদের সমর্থকদেরও গ্রেপ্তার করাসহ বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সবমিলিয়ে কেসিসি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী পাঁচ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে চারজনই নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।
অপরদিকে গত কয়েক দিন নগরীর বিভিন্ন স্থানে একাধিক শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নির্বাচনের দিন ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পরিবেশ থাকবে কি-না এটা নিয়েই উদ্বেগ বেশি ভোটারদের। এর পর ভোট দিতে গিয়ে সংঘাত-সংঘর্ষের মধ্যে পড়তে হয় কি-না তা নিয়েও দুশ্চিন্তা তাদের। আর প্রার্থীদের দুশ্চিন্তা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে। ভোটাররা ভোট সঠিকভাবে দিতে পারবেন কি-না, সেই ভোট সঠিকভাবে গুনে-বুঝে নেয়া যাবে কি-না, কেন্দ্র দখল ও জাল ভোট কতটুকু নিয়ন্ত্রণে থাকবে- এমন উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা সবার মাঝে বিরাজ করছে। এ উদ্বেগের কারণ ব্যাখ্যা করে তারা জানান, ২০১৩ সালের সিটি করপোরেশন নির্বাচনের পর থেকে খুলনায় কোনো নির্বাচনই সুষ্ঠু হয়নি। উপজেলা ও বেশির ভাগ ইউনিয়ন পরিষদে দুপুর ১২টার আগেই ভোট শেষ হয়ে গেছে। কেন্দ্র দখল ও ব্যাপক আকারে জাল ভোটের দৃশ্য বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নেতৃত্বে আলমনগর মোড় এলাকায় গণসংযোগ করছিলেন। এ সময় হঠাৎ করে স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মুন্সি নাজমুল আলম নাজুর নেতৃত্বে নৌকা প্রতীকের একটি মিছিল নিয়ে তাদের ওপর হামলা করে। এতে ছাত্রদল নেতা আল আমিন তালুকদার ও বিএনপি নেতা আব্দুস সামাদসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের পাঁচ-ছয়জন নেতাকর্মী আহত হন। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ দেন। অভিযোগ পেয়ে তিনি ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাশেদুল ইসলামকে ঘটনাটি জানান। রাশেদুল ইসলাম বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। আমাদের আগেই পুলিশ যাওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যায়।
বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা বলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা মুন্সি নাজমুল আলম নাজুর নেতৃত্বে আমাদের গণসংযোগ বহরে অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের হামলায় ছাত্রদল নেতা আল আমিনসহ ৬জন আহত হয়েছেন। তিনি এ হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান। রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুচ আলী বলেন, বিএনপির প্রার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নিজ বাসভবনে প্রেস ব্রিফিং করে পুুলিশ প্রশাসনের অভিযানের নামে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, হয়রানি, বাড়ি বাড়ি তল্লাশি অভিযান ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন বন্ধ ও গ্রেপ্তারকৃত সকল নেতাকর্মীকে অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দাবিতে ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত করার ঘোষণা দেন। পরে তিনি ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রচারণা বন্ধের পাঁচ ঘণ্টা পর তিনি আবার প্রচারণা শুরু করেন।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে জাপার মেয়র প্রার্থী এসএম শফিকুর রহমান মুশফিক বলেন, এবারই প্রথম খুলনার মানুষ দলীয় প্রতীকে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে মেয়র নির্বাচিত করবে বলে প্রচারণার প্রথম দিকে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু গত দুই দিনে গণসংযোগে গিয়ে ভোটারদের ভেতর এক অজানা আতংক লক্ষ্য করেছি। অনেকেই প্রশ্ন করছে-সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারবো কি না। তিনি বলেন, যদি কোনো প্রার্থী বা দল জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেয় তবে, তারা খুলনাবাসীর কাছে গণদুশমন হিসেবে চিহ্নিত হবে।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী অধ্যক্ষ মুজাম্মিল হক ইতোমধ্যে বিভিন্ন মুখোমুখি অনুষ্ঠানে বলেন, ভোটারদেরকে ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার পূর্ণ নিরাপত্তা দেয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানান। তিনিও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের শঙ্কা প্রকাশ করেন।
সিপিবির মেয়র প্রার্থী মিজানুর রহমান বাবু বলেন, নির্বাচনে যেভাবে কালো টাকার ছড়াছড়ি ও পেশিশক্তি প্রয়োগে মনে হচ্ছে, ‘আমার ভোট আমি দেব, তোমার ভোটও আমি দেব’- শাসক দল এই কৌশল নিচ্ছে। খুলনা মহানগর যুবদলের সভাপতি মাহবুব হাসান পিয়ারুর স্ত্রী বিএনপি সমর্থিত সংরক্ষিত আসন-৭ এর কাউন্সিলর প্রার্থী শামসুন নাহার লিপি ক্ষোভ ও শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ যখন বুঝতে পেরেছে জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে ঠিক তখনই তারা গ্রেপ্তার, হামলা-মামলা শুরু করেছে। পুলিশ আমার স্বামীকে গণসংযোগ শেষে বাড়ি ফেরার পর গ্রেপ্তার করে নিয়ে গেছে। নিয়ে একটি পেন্ডিং মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে নিক্ষেপ করেছে। তার গ্রেপ্তারের ফলে নেতাকর্মীরা আতংকগ্রস্ত। এমনকি আমার গণসংযোগে যেতেও ভয় পাচ্ছেন। নির্বাচনের আগেই আমার স্বামীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি। নগরীর ২৩নং ওয়ার্ডের স্বতন্ত্র কাউন্সিলর প্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর হাসান ইমাম চৌধুরী ময়না বলেন, ভোট চাইতে গেলে সবাই বলছে, সুষ্ঠুভাবে যাতে ভোট দিতে যেতে পারি-সে ব্যবস্থা করেন। এ শঙ্কার কথা নির্বাচন কর্মকর্তাদের বলেছি।
নগরীর ৩১নং ওয়ার্ডে মরহুম কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন মুক্তার ছেলে আরিফ হোসেন মিঠু এবার স্বতন্ত্র প্রার্থী। তিনি বলেন, আমি শুনেছি-এই ওয়ার্ডের হাজী মালেক কলেজ ও মাদরাসাসহ তিনটি কেন্দ্র দখল করা হবে। নির্বাচন কর্মকর্তাদের এটা জানিয়ে কোনো সমাধান পাবেন কি-না; তা নিয়ে চিন্তায় আছেন। নগরীর ২৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ও সোনাডাঙ্গা থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ শহীদ আলী ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা লাগানোর জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেন। তিনি বলেন, তার সমর্থকদের হুমকি ও ভয় দেখানো হচ্ছিল। ভোটাররা সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারবে কি-না তা নিয়ে সর্বত্র আতঙ্ক বিরাজ করছে। এরপর তিনি অদৃশ্য কারণে বৃহস্পতিবার খুলনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নগরীর ১৭নং ওয়ার্ডে বিএনপি মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সবচেয়ে বেশি অভিযোগ বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর। তিনি বলেন, বিগত স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যারা ভোট ছিনতাই করতে সহযোগিতা করেছেন, সেই পুলিশ কর্মকর্তারা এখনও খুলনায় দায়িত্বে রয়েছেন। সিভিল প্রশাসনও সরকারের অনুগত। এ অবস্থায় নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠু হবে?
তবে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ সুষ্ঠু ও সুন্দর আছে। ভোট নিয়ে শঙ্কার কিছু নেই। তিনি বলেন, গত নির্বাচনে ৬০ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিলাম। তখনও ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ। নির্বাচন তো তখন সুষ্ঠুই হয়েছিল।
প্রার্থী ও ভোটারদের এমন আশঙ্কা সম্পর্কে জানতে চাইলে গত রোববার খুলনা সফরে আসা নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বলেন, প্রতিটি কেন্দ্রে পুলিশ ও আনসার মিলিয়ে ২২ থেকে ২৪ জন সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন। একেকটি কেন্দ্রের ভেতরেই প্রায় ১২টি অস্ত্র থাকবে। তারা মনে করছেন, এটা যথেষ্ট। খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. ইউনুচ আলী বলেন, ভোটার ও প্রার্থীদের শঙ্কামুক্ত করতে দুই এক দিনের মধ্যে তারা লিফলেট বিতরণ ও পোস্টার লাগাবেন। সেখানে ভোটারদের আশ্বস্ত ও করণীয় নিয়ে দিকনির্দেশনা থাকবে।
নাগরিক শাসন প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার মঞ্জুর
কেসিসি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ও ২০ দলীয় জোট সমর্থিত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু নগর ভবনের দরজা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত রাখার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, নাগরিকদের ইচ্ছায় সিটি করপোরেশন পরিচালিত হবে। নাগরিক শাসনভিত্তিক জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে তিনি নগরবাসীর সমর্থন ও রায় প্রত্যাশা করেন। নির্বাচন উপলক্ষে নগরীর ২৭ নং ওয়ার্ডের বাগমারা ব্রিজ, মিস্ত্রিপাড়া বাজারসহ সংলগ্ন এলাকায় গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ ও জনগণের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান। গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু হয় মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর গণসংযোগ। এদিকে ৪ ও ৫নং ঘাট এবং সংলগ্ন এলাকায় গণসংযোগ করেছেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোল্লা গোলাম মাওলা, অ্যাডভোকেট চৌধুরী আব্দুস সবুর, অ্যাডভোকেট ওমর আলী, অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, অ্যাডভোকেট ফরহাদ আব্বাস, অ্যাডভোকেট মো. আছাদুল আলম, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট খালিদ হাসান জনি, অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান মালি, অ্যাডভোকেট মহসিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট শাহেদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মনিরুজ্জামান খোকন, অ্যাডভোকেট সোবহান সরদার, অ্যাডভোকেট বজলুর রহমান রাজা, অ্যাডভোকেট সাইদুর রহমান সুমন, অ্যাডভোকেট আলিমুর রহমান প্রমুখ। অন্যদিকে খুলনা জেলা ইমাম পরিষদ সভাপতি ও খুলনা আলিয়ার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ সালেহ এর সঙ্গে মতবিনিময় এবং বিকালের গণসংযোগ করেছেন কেসিসি নির্বাচন উপলক্ষে ২০ দলীয় জোটের ঢাকা থেকে আগত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।  উপস্থিত ছিলেন খেলাফত মজলিস নায়েবে আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গোলাম মহিউদদীন ইকরাম, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা ওয়ালী উল্লাহ আরমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি রেজাউল করীম, ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, এনডিপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনজুর হোসেন ঈসা, লেবার পার্টি মহাসচিব হামদুল্লাহ মাহদী, জেলা ইমাম পরিষদ সেক্রেটারি মাওলানা গোলাম কিবরিয়া। নেতৃবৃন্দ বাদ আসর নিরালা তাবলীগ মারকাজ, নিরালা আবাসিক এলাকা, দোলখোলার মোড়, মুসলমনপাড়া এলাকায় গণসংযোগ করেন