“রাজনীতির বাহাস “

0
52

সাইফুল ইসলাম কবির, অস্ট্রিয়া ভিয়েনা থেকেঃ

ভোলা নিউজ-২৪.০৪.১১৮

আসলে আমি কোন লেখক নই লেখার অভ্যাস ও আমার নেই। গত কাল আমার মুখে ছোট একটা অপারেশন হয়েছে। আজ ছিলো তাহাখুলে ফেলার দিন। ডাক্তার খুলে দেখলো ভিতরে একটা টিউমার রয়েগেছে। জরুরী আবারও অপারেশন করতে হবে। একটু ভয়পেয়ে গেলাম। অনুমুতি কাগজ পত্র রেডিও হয়েগেল, ড্রেসআপ করে বললো স্যালাইন দিবে সময় লাগবে ৩০-৪০ মিনিট। তাই সময়টা পার করছি এই লেখাটা লিখে। হা আপনাদের দোয়ায় সঠিক ভাবে অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে ইশাআল্লাহ। প্রিয় বন্ধুরা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমার বয়স আনুমানিক ৭-৮ বছর। মনে পড়ে রাতের ব্যলায় মা আমাকে নিয়ে পাশের বাড়িতে রাত্রি যাপন করতেন, পালাতেন। পরে বুঝলাম কেন এমনটি হতো। আমি মাঝেমাঝে নিজেকে নিয়ে গর্ববোধ করি এই ভেবে যে আমার পরিবারে ও দু একজন দেশ গড়ার কারিগর আছে ভেবে। আমার পড়িবারে রাজনীতিবিদ নেই, কিন্ত রাজনীতি মনা লোকছিলো। তাই আমিও বয়সের সাথেসাথে কেন যানি মিছিল মিটিং এ হাজির হতাম। এক সময় শ্রদ্ধেয় মরহুম জনাব মোকলেসুর রহমান আওয়ামী লীগ এর প্রতিষ্টাতা সভাপতি ( লালমোহন), তার হাতধরে রাজনীতিতে আশা। আমি তখন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শবাদী একজন সাধারন কর্মী। ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৯ পর্জন্ত আমরা যে রাজনীতি করেছি কোনদিন একটি বারের জন্যও ভাবিনী যে দলথেকে পয়সাকড়ি নিব বা দেশের কিছু মেড়ে দিব। বরং বাবার ঢোলা খালি করে
দলের পিছনে ব্যয়করে দলচালিয়েছি। আমি গর্ব করে বলতে পারি আমি এবং আমার পরিবারের কেহ রাষ্ট্রের
বা দলের একটি অর্থ ও খাইনি ইনশাআল্লাহ। তাই নিজেকে মহারাজাধিরাজ মনে করি।আজ কি দেখছি ? রাজনীতি মানেই কোটি কোটি টাকার মালিক। গাড়ি বাড়ির তো অভাব নেই। তার পর রাজনীতি রাজনীতি বিধদের হাতে নেই। যারা আজ নেতা বনেগেছে তাদের অদিকাংশই লেখাপড়া জানেনা। মান ইজ্জতভ্রষ্ট লোকের দ্বারা সমাজ চলছে, বিচার শালিস, তাড়াই করছে যারা আমাদের বাড়ির কামলা দিত অথবা হাত পেতে টু পাইস কামাতো। আমি আবাগ হই একজন মাস্টার সাহেব গন্ডমুর্খ মেম্বার অথবা চেয়ারম্যান এর
বাড়ির দরজায় ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থাকে তার কারেক্টর সার্টিফিকেটের জন্য। এর জন্য দাই কে ?
“কেন এমন হলো ” আমার কাছে মনেহয় অবৈদ ভাবে হ্মমতা দখলকারী সেনাশাসক দের বিভিন্ন সময়ের সৈরশাসন। তাদের দেয়া অবৈদ আইন সমাজের প্রতিটা সেক্টরে সেক্টরে এমন ভাবে ঢুকানো হয়েছে যে অদিকাংশ রাজনীতি বিদ চুপ করে ঘরে বসে গেল। শিহ্মিত লোক গুলি মান ইজ্জত নিয়ে আরালে আবডালে। আর সমাজ পতিরা তো আরোবিপদে। এই সুযোগ খানার ই সৎ ব্যবহার করলেন এই হায়নার দল। আজ আনেকেই দুংখ করছি এমন টি তো হওয়ার কথাছিলোনা। মান ইজ্জত কি সমাজ থেকে চলে গেছে? আমার কাছেও এমনটি মনেহয়। আমরা এমনি এক জাতি আমরাইতো বঙ্গবন্ধুর মত মানুষকে মেরেফেলেছি। তবুও আশাহত হইনি কখনও। আশুন মান অভিমান ভুলে আবারও সমাজপতিরা সমাজের হালধড়ি, শিহ্মিতরা শুশাসন চালুকরি, রাজনীতি বিদরা রাজনীতির হালধড়ি তাহলে দেশটা এগিয়ে যাবে জয় বাংলা।

লেখক পরিচিতিঃ

সাইফুল ইসলাম কবির

অস্ট্রিয়া ভিয়েনা থেক