ভুল তথ্যে একমাসের বেতন পেলেন ভুয়া অধ্যক্ষ নিজাম

আরিফুর রহমানঃ

ভোলা নিউজ-২০.০৭.১৮

ভৌতিক ও ভুয়া কমিটির মাধ্যমে মাস্টার্স পাস করার আগেই দুর্নীতি ও চরম জাল- জালিয়াতির মাধ্যমে অধ্যক্ষ পদ দখল করেন মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন। অধক্ষ পদ দখল করার পর দুর্নীতি ও জাল-জালিয়াতির বিরুদ্ধে জনৈক ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে বিভাগীয় কমিশনার, বরিশাল ও জেলা প্রশাসক, ভোলা’ র নির্দেশে উপজেলা নির্বাহী অফিসার,ভোলা সদর,ভোলা’ র বিশদ তদন্তে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি ও জাল- জালিয়াতির প্রমান পাওয়ায় জেলা প্রশাসক, ভোলা জেলার ম্যামো নং- জেঃ প্রঃ ভোঃ/ ২০০৭- ৫৫৬(৪) সাধারন, তারিখঃ ১৫.০৮.২০০৭ খ্রিঃ ম্যামোর মাধ্যমে অত্র ইলিশা ইসলামিয়া মডেল কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিনের বেতন- ভাতা বন্ধ করার উদ্যেগ নিলে সে অন্যায় ভাবে সরকারের গোপনীয় শাখা থেকে ম্যামো হাত করে হাইকোর্টে রিট করলে মহামান্য হাইকোর্ট ম্যামোর কর্যকারিতা স্থগিত করেন। যার নং-৮৪১০/২০০৭। প্রাথমিক আবেদনকারী জনৈক সিরাজ উদ্দিন রিট পিটিশনটি শুনানি করতে চাইলে নিজাম উদ্দীন রীট প্রত্যাহারের আবেদন করেন। অবৈধ ভাবে উত্তোলিত বেতন- ভাতাদী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার কথা বললে সিরাজের পক্ষে কিছু নির্দেশনা প্রদান করে তা প্রত্যাহার করে বিচারপতিদ্বয়। এমতাবস্থায় সভাপতির ম্যামোর কার্যকারিতা অটো বহাল হয়ে যায়। যার অর্থ নিজামের বেতন- ভাতাদী বন্ধে কোন প্রকার বাধা থাকল না। এর পরপরই চতুর নিজাম নিজের চাকুরী বাঁচানোর জন্য একজন ভিনগ্রহের মহিলাকে সভাপতি করে একটি ভৌতিক পকেট কমিটি গঠন করে আপাতত রক্ষা পায়। নিজামের অনিচ্ছা সত্ত্বেও  সদর উত্তরের এ কলেজটি সুচারু রুপে পরিচালনার জন্য বণিজ্য মন্ত্রী মহাদয় মাঝ পথে ভোলা সদর উপজেলার চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন কলেজের সভাপতি করেন। তাকে শিক্ষাগত যোগ্যতার কারন দেখিয়ে রিট করে তার সভাপতির পদ বাতিল করেন এই কথিত ভুয়া অধ্যক্ষ নিজাম। চালু হয় আবার ভিন গ্রহের ভৌতিক কমিটি। এ যাত্রায় নিজাম আবার পার পেয়ে যায়। কিন্তু ধর্মের কল বাতাসে নড়ে। নদীর পানি অনেক দূর গড়ানোর পর মাননীয় বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ কলেজের শিক্ষক, এলাকা বাসি, অভিবাবকদের ইচ্ছায় কলেজটি রক্ষার জন্য ফের হস্তক্ষেপ করেন। এবার ভোলার দুর্নীতিবাজদের আতংক ফাতেমা খানম কলেজকে দুর্নীতি মুক্ত করা সফল সভাপতি তার ছেলে ভোলার ভবিষ্যৎ কর্নধার, তরুন উদীয়মান ক্লীন ইমেজের সমাজ সেবক মইনুল হোসেন বিপ্লবকে সভাপতি করেন দুর্নীতি আক্রান্ত কলেজটির।

মইনুল হোসেন বিপ্লব সভাপতি হওয়ার পর নিজামের গনেশ উল্টে যায়। নিয়মিত কলেজের মিটিং ডাকা হয়। কলেজের শৃংখলা ফিরিয়ে আনা হয়। আয় ব্যয় ব্যাংকে জমা হতে থাকে। নিজামের মোবাইলে ব্যাংকে টাকা জমার ম্যাসেজ যায় কিন্তু টাকা পকেটে যায় না। দুই মাসে কলেজর একাউন্টে টাকা জমা হয় প্রায় ৫ লক্ষ টাকা। ব্যাংকের টাকা উত্তোলনের জন্য নিজাম পাগল প্রায় হয়ে স্থানীয় এক অভিভাবক সদস্য নুরুল ইসলামকে তার ছেলেকে উপবৃত্তি দেয়ার কথা বলে স্বাক্ষর নিয়ে হাইকোর্টে প্রতারনা মূলক রিট পিটিশন দাখিল করে। এদিক বর্তমান সভাপতি পূর্বের সভাপতির ম্যামো সম্পর্কে জানা না থাকায় নিজামের বিগত মাসের বিলে স্বাক্ষর করে। তবে সভাপতি ওই ম্যামো সম্পর্কে অবহিত হওয়ায় নিজামের আর কোন বিলে স্বাক্ষর করবেন না বলে একটি সূত্র জানিয়ছে। এ দিক জতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিজামের বিভন্ন প্রকার দুর্নীতি, জাল- জালিয়াতি সম্পর্ক তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন দেয়ার জন্য বর্মানান সভাপতিকে অনুরোধক্রমে নির্দেশ প্রদান করেছেন। অন্য দিকে দূদকও ভূয়া অধ্যক্ষর বিরুদ্ধে একটি মামলা রুজু করেছে, যা সাময়িক স্থগিত রয়েছ। একের পর এক দল পরিবর্তন করে স্কুল কেরানি থেকে নিজাম কিভাবে মাফিয়া ডন হয়ে উঠ তার সমিকরণ তুলে ধরবো প্রিয় পাঠক আমনাদের কাছে চোখ রাখুন ভোলা নিউজ. কমে।

SHARE